মুহাম্মদ হাসান এর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন:
মুহাম্মদ হাসান [বিএ(অনার্স)এম.এ ]
রাজনৈতিক আদর্শ:
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।
অনুপ্রেরণা:
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হয়ে তৃণমূল পর্যায়ে নিরলসভাবে পরিশ্রম, ত্যাগ, সংগ্রাম ও দক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে নিজেকে একজন অভিজ্ঞ ও গ্রহণযোগ্য রাজনৈতিক সংগঠক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন মুহাম্মদ হাসান । দীর্ঘ এই পথচলায় তিনি প্রতিটি ধাপে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছি এবং সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন।
রাজনৈতিক পরিচিতি:
হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয় (২০০১–২০০৮)।
পরবর্তীতে ফটিকছড়ি উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক (২০০৪–২০১১) হিসেবে দায়িত্ব পালন করে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। একই সময়ে চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক (২০০৫–২০০৭) হিসেবে ছাত্র রাজনীতিতে তার সক্রিয় ও বলিষ্ঠ উপস্থিতি ছিল সবার নিকট প্রশংসনীয়।
এরপর তিনি ফটিকছড়ি উপজেলা ছাত্রদলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন—
সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, ফটিকছড়ি উপজেলা ছাত্রদল,(২৭ আগস্ট ২০১১ – ১লা অক্টোবর ২০১১)
এবং সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, ফটিকছড়ি উপজেলা ছাত্রদল, (১লা অক্টোবর ২০১১ – ২০১৬)।
সাবেক সিনিয়র সদস্য ,(চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদল,৩০ অক্টোবর ২০১১ – ২০১৬) হিসেবে তিনি সংগঠনের বিস্তৃতি ও শক্তিশালীকরণে নিরলসভাবে কাজ করে গিয়েছেন।
ছাত্ররাজনীতি থেকে মূলদলের রাজনীতিতে প্রবেশ করে তিনি ফটিকছড়ি উপজেলাধীন ৫নং হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব (২০১৬–২০১৮) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনে নির্বাচিত হয়ে হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক (২০১৮–২০২২) হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন।
এরপর আবারও ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব (২০২২–২০২৪) হিসেবে দায়িত্ব পালন করে সংগঠনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন।
বর্তমানে তিনি নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে (১৭ এপ্রিল ২০২৫ থেকে অদ্যাবধি) দায়িত্ব পালন করছেন এবং একই সাথে ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্য (২০২২ থেকে অদ্যাবধি) হিসেবে সংগঠনের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।
বিগত সতেরো বছর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে তিনি সবসময় রাজপথে সোচ্চার ছিলেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে দীর্ঘদিন তাকে পরিবার-পরিজন থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে হয়েছে।
সামাজিক পরিচিতি:
হারুয়ালছড়ি জনস্বার্থ রক্ষা নাগরিক কমিটির প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তাঁর ত্যাগ, নিষ্ঠা, সততা ও নেতৃত্বগুণ আজ তৃণমূল থেকে সর্বস্তরের মানুষের কাছে একজন আস্থাভাজন নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন ইনশাআল্লাহ।
পাশাপাশি ধর্মীয়, সামাজিক ও আধ্যাত্মিক অঙ্গনেও তার পদচারনা ছিল উল্লেখযোগ্য।
হারুয়ালছড়ি গাউছিয়া রহমানিয়া ছুন্নিয়া মাদ্রাসা পরিচালনা পরিষদের সম্মানিত সভাপতি হিসেবে তিনি সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করে গেছেন।
একই সাথে তিনি সর্বদা এলাকায় মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দিরে ও সবধরনের সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। এবং এলাকায় অসহায়দের সবসময় সাহায্যের হাত প্রসারিত রেখেছেন। একইসাথে করোনাকালীন সময়ে ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় আমার সর্বোচ্চটুকু দিয়ে তিনি এলাকার সাধারণ জনগণের পাশে থাকার জন্য সর্বদা সচেষ্ট ছিলেন, আছেন এবং ইনশাআল্লাহ থাকবেন ।পাশাপাশি আজীবন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত থেকে দেশ ও সমাজের খেদমতে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চায়।
কারণ তিনি বিশ্বাস করেন, একজন উচ্চ শিক্ষিত মার্জিত ও রুচিশীল ব্যক্তি হিসেবে একজন জনবান্ধব, সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব, সমাজের উন্নয়ন, শান্তি ও অগ্রগতির জন্য নিরলসভাবে কাজ করবেন ইনশাআল্লাহ।
জনগণের আস্থা, ভালোবাসা ও বিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে তিনি জনগণের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চান—
অর্থাৎ হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগণের ভালোবাসা ও দোয়ায় তিনি নির্বাচিত হয়ে নিজেকে জনগণের সবাই উৎসর্গ করতে চান….
আমরা ইউনিয়নবাসী এমন একজন গুণীজনকে দেশ ও জাতির সেবায় তাকে কাজ করার সুযোগ করে দিতে চাই। কারণ তিনি দল মতের ঊর্ধ্বে উঠে সবার জন্য কাজ করে যেতে চান…
শুভেচ্ছান্তে: হারুয়ালছড়ির সর্বস্তরের জনসাধারণ।

